আলেমদের নিয়ে গীবত প্রসঙ্গে
আলেমদের গীবত
![]() |
| আলেমের গীবত |
মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ।
ইয়ামানের বিখ্যাত এক মুহাদ্দিস। মৃত্যুর সময় তার চেহারা কুৎসিত হয়ে যায়। জিহবা কালো হয়ে থুতনি পর্যন্ত এসে ঠেকে। কারণ, জীবদ্দশায় তিনি ইমাম নববী রহি. এর কট্টর সমালোচক ছিলেন। অথচ তিনি শাফিয়ী মাযহাবের উপর ২৪ খন্ডের বিশাল ব্যাখ্যাগ্রন্থ লিখেছিলেন।
[আদ্দুরারুল কামিনা : ৪/১০৬]হাফিয ইবনে আসাকির রহি. বলেছেন,
ওহে লোকেরা! আলেমদের গীবত করো না। তাদের নিয়ে হা হা করো না। তাদের গোস্ত বিষাক্ত। আল্লাহর অমোঘ নীতি হল- তিনি আলেমের গীবতকারীকে লাঞ্চিত করে ছাড়েন। এমনকি মৃত্যুর আগে তার অন্তর মেরে ফেলবেন। দীন থেকে দূরে সরিয়ে দিবেন।
[আত তিবয়ান ফি আদাবিঃ২৭]
ইমাম আহমাদ রহি. বলেছেন,
গীবতকারীর জন্য আলেমদের গোস্ত এতটাই বিষাক্ত যে, এর ঘ্রাণ যে নিবে, তার ঈমান অসুস্থ হয়ে যাবে। আর যে তা ভক্ষণ করবে, তার ঈমান মরে যাবে।
ইমাম আহমাদ রহি. বলেছেন,
গীবতকারীর জন্য আলেমদের গোস্ত এতটাই বিষাক্ত যে, এর ঘ্রাণ যে নিবে, তার ঈমান অসুস্থ হয়ে যাবে। আর যে তা ভক্ষণ করবে, তার ঈমান মরে যাবে।
[আল মুয়ীদুঃ ৭১]
যে ব্যক্তি আলেমদের দীনি কথাবার্তার কারণে তাদের নিয়ে মশকারা করে, হা হা দেয়, তাদের ঈমান শঙ্কার মধ্যে।
[সূরা তাওবাঃ৬৫-৬৬ এর তাফসীর থেকে]
আজকাল নিজের মতের সাথে না মিললেই কমেন্ট বক্সে, সিক্রেট গ্রুপে, চ্যাটিং ঘরে শুরু হয় বিশ্রী মন্তব্য। হা হা রিয়েক্ট তো পান্তাভাত! এটা যে একটা কবীরাহ গোনাহ, সে খবরও নাই। রিপোর্ট মারা আর ব্লক দেয়া তো এখন রীতিমতো প্রতিরোধ ব্যাবস্থা! একটাবার চিন্তা করে না আমি যাকে নিয়ে বিদ্রূপ করছি, হা হা দিচ্ছি, সে তো একজন আলেম।
আজ আপনি যা করছেন, কাল নিশ্চয়ই এর জবাব দিবেন।
--মুহতারাম মাসউদ আলিমী ভাই

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন